ads
ইপেপার আর্কাইভ
logo

কেমন হতে পারে তারেক রহমান এর নতুন মন্ত্রীসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৬ পি.এম
কেমন হতে পারে তারেক রহমান এর নতুন মন্ত্রীসভা

নতুন-পুরনোদের সমন্বয়ে বিএনপির মন্ত্রিসভা, চূড়ান্ত তালিকা শিগগির


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় প্রধান তারেক রহমান-এর তত্ত্বাবধানে নতুন মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পাশাপাশি তরুণ ও নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিপরিষদ গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

দলীয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, প্রশাসনে গতি আনা এবং নীতিনির্ধারণে নতুন ভাবনা যুক্ত করাই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ২০০১-২০০৬ মেয়াদের সরকারের কয়েকজন অভিজ্ঞ নেতাকেও নতুন মন্ত্রিসভায় রাখার আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রণালয় অতীতে তুলনামূলকভাবে বিতর্কমুক্ত ছিল এবং যেসব নেতার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে—তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে।

সম্ভাব্য দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিভিন্ন নাম আলোচনায় রয়েছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-কে রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি। স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান স্পিকার হিসেবে, মির্জা আব্বাস যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে, সালাহউদ্দিন আহমেদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পেতে পারেন। এছাড়া শিক্ষা, জনপ্রশাসন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়েও কয়েকজন সিনিয়র নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদে নতুন মুখ অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ও উপদেষ্টাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তরুণ নেতৃত্বের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিমন্ত্রী পর্যায়েও নতুনদের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোকেও সরকারে সম্পৃক্ত করার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। জাতীয় সরকার গঠনের পূর্বঘোষণার ধারাবাহিকতায় শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান রয়েছে দলের শীর্ষ পর্যায়ে। কয়েকজন জোটনেতার নাম অর্থ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য বা টেকনোক্র্যাট পদে আলোচনায় রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের পর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের মাধ্যমে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মনোনীত ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। প্রধানমন্ত্রীর শপথের পরপরই মন্ত্রিসভা গঠনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাই নতুন সরকারের ঘোষণার অপেক্ষা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ